এ বছরের ফিতরার হার সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২,২০০ টাকা নির্ধারণ

631

এ বছরের ফিতরার হার সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২,২০০ টাকা নির্ধারণ

এ বছরের ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২,২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

——————————————————————-

📌📌শিক্ষা সম্পর্কিত খবরাখবর জানতে এখানে ক্লিক করে শিক্ষা গ্রুপে ঢুকে JOIN GROUP এ  ক্লিক করুন।গ্রুপে আপনিও শেয়ার করুন…

——————————————————————-

👉👉দৈনন্দিন শিক্ষা সম্পর্কিত খবরাখবর পেতে এখানে ক্লিক করে দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে ঢুকে ” LIKE PAGE ” 👍 এ লাইক দিন

——————————————————————-

সোমবার (৪ মে) বেলা সাড়ে ১২টার পর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উপরোক্ত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।

সদকাতুল ফিতর। এই সদকার কেন্দ্র পবিত্র ঈদুল ফিতর। সহজ কথায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাথে সম্পৃক্ত বলেই এটাকে ‘সদকাতুল ফিতর’ বলা হয়। প্রচলিত ভাষায় অধিকাংশ মানুষ ‘ফিতরা’ বলে থাকেন। সুরা আ‘লার ১৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে ‘সেই-ই সফলতা লাভ করেছে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে।’ হজরত কাতাদাহ (রহ.) এই আয়াতের ‘তাঝাক্কা’ তথা ‘পরিশুদ্ধ হওয়া’ শব্দ দ্বারা ‘সদকায়ে ফিতর’কে উদ্দেশ্য করা হয়েছে বলে মত ব্যক্ত করেছেন। কেননা হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘রাসুলুলাহ সালালাহু আলাইহি ওয়াসালাম সদকাতুল ফিতরকে ওয়াজিব করেছেন। যাতে করে রোজাদারদের রোজার যাবতীয় ভুলত্রুটি পরিশুদ্ধ করা যায় এবং গরিব লোকেরা আহারাদি পায়’ (মিশকাত ১৬০ পৃষ্ঠা)।

♦সদকাতুল ফিতর কী? : ‘সদকাতুল ফিতর’-এ দুটি আরবি শব্দ রয়েছে। সদকা মানে দান, আর ফিতর মানে রোজার সমাপন বা ঈদুল ফিতর। অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিন আদায় করা সদকাকেই সদকাতুল ফিতর বলা হয়। এটিকে জাকাতুল ফিতর বা ফিতরাও বলা হয়ে থাকে। ইসলামী শরিয়ত মতে, সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। পবিত্র হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে : হজরত ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য করেছেন। এর পরিমাণ হলো, এক সা জব বা এক সা খেজুর। ছোট-বড়, স্বাধীন-পরাধীন সবার ওপরই এটি ওয়াজিব। (বুখারি শরিফ, হাদিস : ১৫১২)

♦সদকাতুল ফিতর কে দেবেন?

যাদের মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ ঈদুল ফিতরের দিন সঞ্চিত থাকে, তাদের উপর সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান বা অবিবাহিত মেয়ের পক্ষ থেকে আদায় করাও ওয়াজিব। সন্তানের নামে সম্পদ থাকলে সেখান থেকেও আদায় করা যাবে। প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব নয়। তবে আদায় করলে আদায় হয়ে যাবে। কোনো দারিদ্র্য সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকেও আদায় করতে হবে। আর নিসাবের পরিমাণ হচ্ছে জাকাতের ন্যায় সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্যের সমপরিমাণ অর্থ। এ ক্ষেত্রে বছর পূর্ণ হওয়া শর্ত নয়, কেবল ঈদের দিন ঐ পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়াই ওয়াজিব হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সামর্থবান সকলেরই এটি আদায় করতে হবে। কেননা নবীজি ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক, প্রাপ্তবয়স্ক, আযাদ ও গোলাম প্রত্যেকের পক্ষ হতে এক সা যব অথবা এক সা খেজুর সদকাতুল ফিতর হিসেবে আদায় করা ওয়াজিব করে দিয়েছেন’ (সহিহ বুখারি, হাদিস- ১৫১২)।

♦কাকে দেবেন?

অভাবগ্রস্ত ও ঋণগ্রস্ত, সম্বলহীন মুসাফির এক কথায় যাদেরকে যাকাত দেয়া যায়, তাদেরকে সদকায়ে ফিতরও দেয়া জায়েজ।

♦কী পরিমাণ দেবেন?

হাদিসে পাকে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। হজরত আবদুলাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আলাহর রাসুল সালালাহু আলাইহি ওয়াসালাম সদকাতুল ফিতর হিসেবে এক সা পরিমাণ খেজুর বা এক সা পরিমাণ যব দিয়ে আদায় করতে নির্দেশ দেন। অতঃপর লোকেরা যবের সমপরিমাণ হিসেবে দু’মুদ (অর্ধ সা) গম আদায় করতে থাকে’ (সহিহ বুখারি- ১৫০৩)।

সা’র বর্তমান পরিমাণ হচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন কেজি। উলেখ্য যে, দুর্ভিক্ষ চলাকালীন খাবার, অন্যথা নগদ অর্থ দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করা উত্তম বলে ওলামায়ে কেরামগণ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। সেই হিসেবে এ বছর বাংলাদেশের জন্য ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ কর্তৃক সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা ও সর্বনিম্ন ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে লোকেরা কেবলই সর্বনিম্ন পরিমাণটিকে গ্রহণ করে থাকে। অথচ হাদিসের আলোকে এমনটি করা মোটেও উচিত নয়। সামর্থবানদের অবশ্যই সর্বোচ্চ পরিমাণকে গ্রহণ করা উচিত।

♦কখন দেবেন?

ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের পরেই সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়। নবীজি ঈদের নামাজে যাওয়ার পূর্বেই তা আদায় করতেন। এটাই উত্তম। যেমনটি হাদিসে পাকে ইরশাদ হয়েছে, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবীজি লোকদেরকে ঈদের সালাতের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বেই সদকাতুল ফিতর আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন’ (আবু দাউদ-১৬০৯)।
তবে বিশেষ কারণে ঐ সময় আদায় করতে না-পারলে ঐ সময়ের আগে ও পরেও আদায় করা যাবে।

♦কেন দেবেন?

ইসলামের প্রতিটি বিধানের পেছনে মহান উদ্দেশ্য রয়েছে। তেমনিভাবে সদকাতুল ফিতর আদায়ের মধ্যেও ইহজাগতিক ও পারলৌকিক উভয় কল্যাণ নিহিত। এটি অনেকটা আধুনিক যুগের রিফাইনিং মেশিনের মত। যেটির মাধ্যমে পণ্যকে পরিশুদ্ধ করা হয়। অলিদের সর্দার হিসেবে খ্যাত হজরত আবদুল কাদের জিলানি রহ. রচিত বিশ্ববিখ্যাত কিতাব ‘গুনিয়াতুত ত্বালেবিন’র মধ্যে উলেখ রয়েছে, ‘রমজানের রোজার জন্য সদকাতুল ফিতর হচ্ছে নামাজের সাহু সিজদার ন্যায়। সাহু সিজদার মাধ্যমে যেমন নামাজের ত্রুটি সংশোধন করা হয় তেমনি রোজার যাবতীয় ত্রুটিকে সংশোধন করার মাধ্যম হচ্ছে সদকাতুল ফিতর’।

শুধু তাই নয়, সদকাতুল ফিতরের মাধ্যমে হতদরিদ্রের মাঝে হাসির রেখা ফুটে ওঠে। সম্বলহীনরা পায় একটু সহানুভুতি। কিছুটা হলেও কেটে উঠে অভাবগ্রস্তদের অভাব। খুশির ঈদে ধনী-গরিব সবার মাঝে খুশি ছড়িয়ে পড়ে। নবীজির হাদিসেও সদকাতুল ফিতরের উদ্দেশ্য হিসেবে ইরশাদ হয়েছে, ‘গরিব লোকেরা যেন আহারাদি পায়’ (মিশকাত)।

ইসলাম চিরসুন্দর। ইসলামের এ সৌন্দর্য চির আধুনিক। সদকাতুল ফিতর এ সৌন্দর্যের একটি অংশ। যেটি একাধারে ঘটে যাওয়া ভুলের সংশোধন ও অভাবগ্রস্ত হতদরিদ্রের মাঝে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। চলুন, যথাযথভাবে ইসলামী অনুশাসন মেনে সদকাতুল ফিতর আদায় করি। তা আদায়ে কোনো প্রকার কার্পণ্য যেন আমাদের স্পর্শ না-করে। আল্লাহই উত্তম প্রতিদানদাতা।
‘যদি তোমরা (নিয়ামতের) কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তোমাদেরকে আরো বৃদ্ধি করে দেয়া হবে৷ আর যদি অস্বীকার করো, নিশ্চয় আমার আজাব অত্যন্ত কঠিন’ (সুরা ইবরাহীম, আয়াত-৭)।

♦সদকাতুল ফিতরের উপকারীতা:

১. দরিদ্র ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা হয়।
২. ঈদের দিনগুলোতে দরিদ্র ব্যক্তিরা ধনীদের ন্যায় স্বচ্ছলতা বোধ করে।
৩. সদকাতুল ফিতরের ফলে ধনী-গরীব সবার জন্য ঈদ আনন্দদায়ক হয়।
৪. সদকাতুল ফিতর আদায়কারী দানশীল হিসেবে পরিগণিত হয়।
৫. সদকাতুল ফিতরের মাধ্যমে সিয়াম অবস্থায় ঘটে যাওয়া ক্রটিগুলোর কাফ্ফারা করা হয়।
৬. সদকাতুল ফিতর দ্বারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা হয়। তিনি নিজ অনুগ্রহে বান্দাকে পূর্ণ একমাস সিয়াম পালনের তওফিক দিয়েছেন, সাথে সাথে সদকাতুল ফিতিরের ন্যায় আরেকটি ভাল কাজের তওফিক দান করলেন।

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করেছেন অশ্লীল ও অনর্থক কথা-বার্তার কারণে সিয়ামে ঘটে যাওয়া ত্র“টি-বিচ্যুতিগুলো দূর করার জন্য ও মিসকিনদের খাদ্য প্রদানের জন্য। ঈদের সালাতের পূর্বে আদায় করলে তা সদাকাতুল ফিতর হিসাবে গণ্য হবে। আর ঈদের সালাতের পর আদায় করলে তা অন্যান্য সাধারণ দানের মত একটি দান হিসেবে গন্য হবে। [আবু দাউদ ও ইবন মাজাহ]

♦সদকাতুল ফিতরের কয়েকটি মাসয়ালা উল্লেখ করা হলো :

১.সদকায়ে ফিতরের নিসাব যাকাতের নিসাবের সমপরিমাণ। অর্থাৎ কারো কাছে সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা অথবা তার সমমূল্যের নগদ অর্থ কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অতিরিক্ত সম্পদ ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় বিদ্যমান থাকলে তার ওপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে।যাকাতের মতো বর্ষ অতিক্রম হওয়া শর্ত নয়। (ফাতহুল ক্বাদির ২/২৮১)

২. সদকায়ে ফিতর আদায় করার পদ্ধতি হলো, গম বা আটা দ্বারা আদায় করলে অর্ধেক সা’ অর্থাৎ পৌনে দুই সের দিতে হবে। আর খেজুর, যব কিংবা কিসমিস দ্বারা দিতে চাইলে পূর্ণ এক সা’ অর্থাৎ সাড়ে তিন সেরের চেয়ে কিছু বেশি দ্বারা আদায় করতে হবে অথবা এর মূল্য দিতে হবে। (রুদ্দুল মুহতার ৩/৩২২)

৩.দকায়ে ফিতর আদায় করার পর ঈদের দিন যদি মূল্যমান বেড়ে যায় তাহলে ঐ অতিরিক্ত মূল্যও আদায় করতে হবে। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ১৪/৩৯২ )

৪.ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে সদকায়ে ফিতর বা ফেতরা আদায় করা উত্তম। তবে সেই সময়ের আগেও অর্থাৎ রমজানেও আদায় করা যেতে পারে।

ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে ফিতরা আদায় করা মুস্তাহাব। তবে পরে আদায় করলেও তা আদায় ‎হবে। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১৪/৩৮৩ )

৫.সদকায়ে ফিতর আদায় করার সময় স্থানের ভিন্নতার কারণে মূল্য পার্থক্য ধর্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।বরঞ্চ যেই জায়গায় সদকায়ে ফিতর আদায় করবে সেখানকার মূল্য ধর্তব্য হবে। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১৪/৩৭৪)

৬.সদকায়ে ফিতর নিজের পক্ষ থেকে আদায় করা এবং পিতা হলে তার নিজ নাবালক সন্তানের পক্ষ থেকে আদায় করে দেওয়া ওয়াজিব।সাবালক সন্তান, স্ত্রী, চাকর-চাকরাণী, মাতা-পিতার পক্ষ থেকে দেওয়া ওয়াজিব নয়। হ্যাঁ, সাবালক সন্তান পাগল হলে তার পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ১৪/৩৯৭)

৭. নিছফে সা’ এর পরিমাণ : সদকায়ে ফিতর যদি গম দ্বারা আদায় করা হয় তাহলে জন প্রতি ‘নিছফে সা’ গম দিতে হয়। আর নিছফে সা’ এর পরিমাণ- এক সের ৬০ তোলা, যা ইংরেজি মাপ অনুযায়ী ১ কেজি ৬৬৩ গ্রাম। অর্থাৎ প্রায় পৌনে দুই কেজি। (ফাতাওয়া দারুল উলূম দেওবন্দ ৬/৩০৪)

৮. বিবাহিতা ছোট মেয়ে নিজে সম্পদশালী হলে সদকায়ে ফিতর তার সম্পদ থেকে আদায় করবে। আর যদি সম্পদশালী না হয় তাহলে ছেলে পক্ষ উঠিয়ে না নিলে নিজ পিতার ওপর ওয়াজিব হবে। আর উঠিয়ে নিলে কারও ওপর ওয়াজিব হবে না। (ফাতাওয়া আলমগিরি, ১/১৮২)
৯. রমজানের শেষ দিনেও যে নবজাতক দুনিয়ায় এসেছে কিংবা কোনো ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেছে, তার পক্ষ থেকেও সদকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে। (ফাতাওয়া আলমগিরি, ১/১৯২)

১০. কেউ ফেতরা আদায় না করে মৃত্যুবরণ করলে তার পক্ষ থেকে তার উত্তরাধিকারী ফেতরা দিলেও আদায় হয়ে যাবে। (রুদ্দুল মুহতার , ২/১০৬

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments