কুমিল্লায় এমপিওতে প্রতিবন্ধী ম্যাডামের সংযুক্তিকরণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

1326

কুমিল্লায় এমপিওতে প্রতিবন্ধী ম্যাডামের সংযুক্তিকরণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিজস্ব সংবাদদাতা : কুমিল্লা জেলায় বুড়িচং উপজেলা দক্ষিন শ্যামপুর আলি নেওয়াজ ভূঁইয়া কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয় (ইআইআইএন ১০৫২৯১) সহকারী শিক্ষক, মোসা: নাছিমা আক্তারকে (প্রতিবন্ধী) এমপিও থেকে বাদ দেয়া ও অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে গত ০৩-০৫-২০২০ খ্রিষ্টাব্দ জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করেন, এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব আবদুল মান্নান এর স্বাক্ষরিত নিয়োগের যাবতীয় দলিল ও সাক্ষ্য প্রমাণের উপস্থাপন মূলক তদন্ত একটি নোটিশ বিদ্যালয় সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও ভুক্তভোগী নাছিমা আক্তার(প্রতিবন্ধী) নামে প্রেরন করেন, যার স্বারক নং : উমাশিঅ/বুড়ি/কুম/১৩৪/২০১৩/১০০, সুত্র : উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের ০৪/০৫/২০২০ খ্রি.এর নির্দেশের মূলে। উক্ত নোটিশের আলোকে নাছিমা আক্তার তার যাবতীয় নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে স্ব-শরীরে অফিসে হাজির হন।এদিকে নাছিমা আক্তারের নাম এমপিও থেকে বাদ দেয়ার খবর পেয়ে ২৬/০১/২০০৫ সালের নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ও ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য জনাব সামসুল হক ভূঁইয়া (দক্ষিণ শ্যামপুর) ও অন্য আরো তিন সদস্য সহ গ্রামের গণ্যমান্য ও শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সহ মোট ১০০ জন তদন্ত বৈঠকে হাজির হন।

——————————————————————-

📌📌শিক্ষা সম্পর্কিত খবরাখবর জানতে এখানে ক্লিক করে শিক্ষা গ্রুপে ঢুকে JOIN GROUP এ  ক্লিক করুন।গ্রুপে আপনিও শেয়ার করুন…

——————————————————————-

👉👉দৈনন্দিন শিক্ষা সম্পর্কিত খবরাখবর পেতে এখানে ক্লিক করে দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে ঢুকে ” LIKE PAGE ” 👍 এ লাইক দিন

——————————————————————-

♦ মিটিং ছবি ♦

উক্ত বৈঠকে “দৈনিক ভোরের কাগজ” পত্রিকার সাংবাদিক বুড়িচং উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব আবদুল মোমেন সহ কতিপয় সাংবাদিক উপস্থিতিতে জনাবা নাছিমা আক্তার তার নিয়োগ পত্র, যোগদান পত্র, দৈনিক রুপসি বাংলা পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি সহ যাবতীয় দলিল ও কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। এদিকে নাছিমা আক্তারের নিয়োগ বোর্ডের অন্যতম সদস্য তখনকার সময় বিদ্যুৎসাহী সদস্য জনাব সামসুল হক ভূঁইয়া মৌখিক ও লিখিত আকারে এই নিয়োগ বোর্ড বৈধ ও সঠিক এবং নাছিমা আক্তার পরীক্ষায় প্রথম স্থান হওয়ায় নিয়োগ বোর্ডের সকল সদস্যের সুপারিশক্রমে তাকে সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) বিষয়ে নিয়োগ দেয়া হয় , তারপর সে ২৯-০১-২০০৫ তারিখে যোগদান করে অধ্যবধি পর্যন্ত কর্মরত আছেন। অন্য সদস্যগন নিয়োগ বৈধ ও সঠিক বলে মৌখিক ও লিখিত আকারে পেশ করেন এবং বলেন তার সকল তথ্য ব্যানবেইস এ আছে। তখনকার সময়ের কমিটি বলেন এই রোকুনুজ্জামান ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে কিন্ত সভাপতি মোঃ নজির আহমদ ভূঁইয়া অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষক ও নিজের ভাতিজি হাছিনা আক্তার রুমি কে নাছিমা আক্তার (সমাজবিজ্ঞান) প্রতিবন্ধী এর বৈধ নিয়োগের বিপরীতে ভূয়া কাগজপত্র ও রেজুলেশন লিখে নিয়োগ দেন। তাছাড়া অবৈধ প্রধান শিক্ষক রোকুনুজ্জান এমপিও অনলাইনে যে বি,এড সার্টিফিকেট দেখাইছে, বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, যে কলেজ থেকে বি,এড করছে, ঐ কলেজে তথ্য সুত্রে জানা গেছে এই তথ্য ভূয়া অন্য জনের নাম মিলিয়ে অনলাইন থেকে সার্টিফিকেট প্রিন্ট করছে । এই সার্টিফিকেট জাল। ঐ কলেজে রেজিষ্ট্রার ও হাজিরা খাতার কলামে নাম নাই। যার বি,এড রোল ১০৯২৬৮, সেশন ২০০৪-২০০৫, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ফলাফল তারিখ ০৮-০২-২০০৬।আরো উল্লেখ্য যে উক্ত তদন্ত বৈঠকে ২৬/০১/২০০৫ সালে বৈধ নিয়োগকৃত প্রধান শিক্ষক জনাব আবদুল বারি ভূঁইয়া তার সকল কাগজপত্র উপস্থাপন করার পর মৌখিক ও লিখিত আকারে বলেন জনাবা নাছিমা আক্তার সহ মোট ৬ জন শিক্ষক ও কর্মচারী আমার ও সভাপতির হাতে স্বাক্ষরে নিয়োগ পায়,আরো উল্লেখ্য যে ইতিমধ্যে ৬ জন নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক স্ব-শরীরে তাদের সকল কাগজপত্র নিয়ে হাজির হন। এর মধ্যে ১। নাছিমা আক্তার (সমাজবিজ্ঞান), ২। জনাব সাজ্জাদ হোসেন (শারীরিক শিক্ষা) ৩।জনাব মামুনুর রসিদ (গনিত) ৪। হাবিবুর রহমান (কৃষি শিক্ষা),সবাই তাদের নিয়োগের কাগজপত্র উপস্থাপন করেন এবং তারা যে হাজির হয়েছে তার প্রমানস্বরুপ লিখিত আকারে পেশ করে ও সবাই স্বাক্ষর করেন। এদিকে গত ০৩/০৫/২০২০ তারিখে জনাবা নাছিমা আক্তার আবেদন এর দিন বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী জনাব আবু মুসা ডাক্তার মুঠো ফোনে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব আবদল মান্নান সাহেবের সাথে নাছিমা আক্তারের নিয়োগ বৈধ ও বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সে একজন মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি স্বীকারোক্তি দেন, আর অত্র বিদ্যালয়ের হাসিনা আক্তার রুমি নামক ২০০৫ থেকে অধ্যবধি পর্যন্ত কোন শিক্ষক আছে বলে আমার জানা নাই।তবে মোঃ রোকুনুজ্জামান প্রধান শিক্ষক এর প্ররোচনায় সভাপতি মোঃ নজির আহাম্মদ ভূঁইয়া এই অবৈধ নিয়োগের কারসাজি করে থাকে। এদিকে উক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নাছিমা আক্তার (প্রতিবন্ধী) ম্যাডামের এমপিও থেকে বাদ পরা কথা শুনে বুড়িচং উপজেলার বাইপাস রোড হতাশার মোড় থেকে মিছিল নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সামনে “নাছিমা ম্যাডামের নাম এমপিও তে সংযুক্তিকরণ ও অবৈধ প্রধান শিক্ষক সহ ভুয়া শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করে তাদের শাস্তি দাবি” করে প্লে-কার্ড লিখে মানববন্ধনে অংশ নেন। এদিকে জনাবা নাছিমা আক্তার তার লেখা পড়া শুরুর জীবনের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বুড়িচং উপজেলা রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্যতম সাবেক সভাপতি জনাব জসিম মেম্বার ও উপস্থিত হয়ে অবৈধ নিয়োগের প্রধান শিক্ষক মোঃ রোকুনুজ্জান এর কঠোর শাস্তি দাবি করেন। অপরদিকে সরকারি নোটিশ অমান্য করে তদন্ত সাক্ষ্য প্রমানাদির সঠিক তথ্য না থাকায় বৈঠকে অনুপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ রোকুনুজ্জান, সভাপতি মোঃ নজির আহম্মদ সহ অফিস সহকারী জামাল হোসেন ও খন্ড কালীন শিক্ষক শাহিন জেলা ডাক বাংলো সংলগ্ন তার বাড়া বাসায় অবস্থান করে।
এমতাবস্থায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ২/৩ দিন সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে বলে আশ্বাস দেয়।অবশেষে সকল সাংবাদিক ও বৈধ নিয়োগ কমিটির সদস্যগণ বৈধ নিয়োগের অন্তর্ভুক্তকরণে পুরাতন ০৬ শিক্ষকের নাম এমপিওতে সংযুক্তিকরণ ও অপরাধী প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে আইনের আওতায় আনার জোড় দাবি জানিয়ে বৈঠক শেষ করেন।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments