গরু না কি গোরু?

523

গরু না কি গোরু?

শুবাচিগণের জিজ্ঞাসা
অনেকে প্রশ্ন করেছেন, “গরু না কি গোরু”। বানান পরিবর্তনের অধিকার কার?
জামিল চৌধুরী সম্পাদিত ও বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ অভিধান বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানমতে, একমাত্র প্রমিত বানান গোরু। এ বিষয়ে সন্দেহ করার কেনো সুযোগ নেই। ওই অভিধানে গরু বানানের কোনো শব্দ-ভুক্তি নেই।

                ⭕   🌴 ☘️  ☘️ ☘️ 🌴⭕

📍📍শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হৃদয়ের স্পন্দন…প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে ক্লিক করুন নিচে…  

 ☘️দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে 👍লাইক দিন 

👉 জয়েন্ট করুন 🌿 শিক্ষা গ্রুপ✅

               🌿  🌴 🌿    🔴 🔴 🌿   🌴

বানান পরিবর্তন করার অধিকার সংরক্ষণ করেন বাংলা একাডেমি। তবে বাংলা একাডেমি এককভাবে কোনো বানান পরিবর্তন করেননি। একাডেমি কেবল ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রণীত বাংলা বানান বিধি অনুসরণ করে থাকেন।অনেক আগে বানান পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আমরা জানি না, জানার আগ্রহ, পরিবেশ ও সুযোগ কোনোটাই সন্তোষজনক ছিল না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যক্রম ছিল না বললেই চলে।

সবচেয়ে বড়ো কথা, বাংলা একাডেমি পরিবর্তিত বানান সম্পর্কে আমাদের অবগত করার বিষয়ে ন্যূনতম উদ্যোগও গ্রহণ করেননি। পরিবর্তিত বানান অভিধানে ভুক্ত করে দায়িত্ব শেষ করেছেন।পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনের কারণাদি সর্বস্তরে উপযুক্ত উপায়সমূহের মাধ্যমে প্রচার করলে বানান নিয়ে বাংলাভাষীর এমন দ্বিধা ও সাংঘর্ষিকতা সৃষ্টি হতো না।এই যেমন: গোরু অনেক পুরানো বানান হলেও শুবাচের মাধ্যমে তা ব্যাপক প্রচার পায়। এ বিষয়ে শিক্ষকবৃন্দের ভূমিকাও ছিল হতাশার জনক। তাদের নিষ্ক্রিয়তা খুবই দুঃখজনক।
বাংলা একাডেমি প্রণীত বানান অনুসারে বানান লেখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। আমাদের বাধ্য না করলে স্বেচ্ছাচারই প্রবল থাকে।এজন্য একই শব্দের বানান নানাজন নানাভাবে লিখে যাচ্ছেন।
সবার বৌদি, গরিবের বউ—
যেমন ইচ্ছা তেমন করো,
দেখার তো নেই কেউ।
সংগতকারণে সাধারণ মানুষ পড়ছেন বিভ্রান্তিতে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ দায় এড়াতে পারেন না। শিক্ষকগণ কী জবাব দেবেন? শ্রেণিকক্ষে সবকিছু আবদ্ধ করে রাখলে জ্ঞানের সন্তোষজনক বিকাশ কখনো সম্ভব নয়।এমন তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও বাংলা ভাষা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের আদৌ কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই।
বাংলা একাডেমির উচিত ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের প্রমিত বানান বিধিকে ভিত্তি করে পরিবর্তিত প্রতিটি বানান বিষয়ে যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থা করা; তাদের প্রণীত বানান বিধি সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা; লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
নইলে বাংলা অচিরে ভাঙলা হয়ে যাবে। এবং তা হবে উচ্চশিক্ষিতদের গাফেলতির জন্য।

সূত্র:মোহাম্মদ আমিন, শুদ্ধ বানান চর্চা (শুবাচ)

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments