জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকে একাদশ ভর্তি কার্যক্রম শুরু

593

জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকে একাদশ ভর্তি কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার বিষয়টি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। আবেদন অনুযায়ী চলতি মাসের ৭ তারিখ থেকে এ কার্যক্রম শুরু করতে চেয়েছিল আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড।কিন্তু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনা সাপেক্ষে এখনো ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

                ⭕   🌴 ☘️  ☘️ ☘️ 🌴⭕

📍📍শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হৃদয়ের স্পন্দন…প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে ক্লিক করুন নিচে…  

 ☘️দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে 👍লাইক দিন 

👉 জয়েন্ট করুন 🌿 শিক্ষা গ্রুপ✅

               🌿  🌴 🌿    🔴 🔴 🌿   🌴

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা।তারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়া হতে পারে।

গত ৩১ মে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ১৫ দিন কেটে গেলেও এখনো শুরু হয়নি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি। কবে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউ।

তবে ভর্তির দিনক্ষণ ঠিক না হলেও শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিকভাবে বিদ্যমান ক্লাসের সময় বৃদ্ধি ও নির্ধারিত ছুটি কমিয়ে আনার চিন্তা করা হচ্ছে।

ফলে ৪৫ মিনিটের ক্লাসের সময় বেড়ে এক ঘণ্টা হবে। আর শিক্ষাবর্ষের দুই বছরের মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি, ঈদ, পূজাসহ অন্যান্য যে ছুটি রয়েছে তা কমিয়ে আনা হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।

সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর আশা তাদের। ক্লাস শুরু হতে বিলম্ব হলেও একাদশ শ্রেণির ক্লাসের সময় এবং বন্ধের দিনগুলোতে বাড়তি ক্লাস করে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতি আমাদের কঠিন বাস্তবতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে কবে থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। আবার ছুটিও কমানো যেতে পারে। এখনো বিষয়গুলো চূড়ান্ত নয়। খসড়া পর্যায়ে আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সব চূড়ান্ত হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়া হয়নি। গত ৭ জুন থেকে ভর্তি আবেদন শুরু করতে প্রস্তাব পাঠানো হলেও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

তিনি বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও ক্লাস শুরু বিলম্বিত হলেও নানা মাধ্যমে এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে। আগে ক্লাসের সময় ছিলো ৪৫ মিনিট, সেটা বাড়িয়ে এক ঘণ্টা করা হবে। সাপ্তাহিক বন্ধ ও ছুটির দিনে বাড়তি ক্লাস নিয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস শেষ করা হবে। এর ফলে সেশনজট হবে না বলে জানান তিনি।

উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি সংক্রান্ত কমিটির তথ্যানুযায়ী, সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সাড়ে আট হাজার কলেজে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২০ লাখ। এর মধ্যে মানসম্মত কলেজের সংখ্যা মাত্র পৌনে ২০০। এসব কলেজের আসন সংখ্যা ৫০ হাজারের কিছু বেশি।

অথচ এবার সাধারণ ৯টি বোর্ডের পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং এক লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন সাত হাজার ৫১৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন চার হাজার ৮৮৫ জন।

মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের বড় একটি অংশ উচ্চমাধ্যমিক সাধারণ বোর্ডের অধীনে থাকা কলেজে ভর্তি হন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পেয়েও ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রথম সারির কলেজগুলোতে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।

গত কয়েক বছর অনলাইনে যেসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন বেশি পড়েছে, সেই হিসাবে মানসম্মত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭৫টি, রংপুর বিভাগে রয়েছে ৩২টি, বরিশাল বিভাগে ১৪টি, রাজশাহী বিভাগে সাতটি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯টি, খুলনা বিভাগে ১৩টি এবং সিলেট বিভাগে রয়েছে ২৩টি প্রতিষ্ঠান।

এসব কলেজে স্ব-স্ব বিভাগের জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলে আসন সংখ্যা আরও কমে আসবে।ঢাকায় উচ্চ মাধ্যমিকের আসন রয়েছে প্রায় ৫০ হাজারের মতো।

এর মধ্যে ভালোমানের ২০-২২টি কলেজে আসন রয়েছে ২৫ হাজারের বেশি। বিপরীতে ঢাকা বোর্ড থেকে এবার পাস করেছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৪৭ জন। জিপিএ-৪ ও তদূর্ধ্ব স্কোর পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ ৩৩ হাজার ৩৫৫।

এই হিসাবে ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীদের রাজধানীর প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তির কতটা সুযোগ থাকবে, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। ফলে ভালো ফলের পরও অনেকে রাজধানীতে পড়তে আসার সুযোগ পাবে না। একই ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে পাস করার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments