বরাদ্দ বাড়লেও প্রস্তাবিত শিক্ষা বাজেটে খুশি নন বেসরকারি শিক্ষকরা

1644

বরাদ্দ বাড়লেও প্রস্তাবিত শিক্ষা বাজেটে খুশি নন বেসরকারি শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে পাঁচ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়লেও প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতের বরাদ্দে খুশি নন বেসরকারি এমপিওভুক্ত ও নন- এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।প্রয়োজনের তুলনায় বাজেট অপর্যাপ্ত বলে মনে করছেন প্রাথমিক থেকে উচ্চস্তরের শিক্ষকরা।এবার এ খাতে ৬৬ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এটা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তবে শিক্ষায় বাড়তি যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে তা দিয়ে এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণের দাবি বেসরকারি শিক্ষক নেতৃবৃন্দের।         

                  ⭕   🌴 ☘️  ☘️ ☘️ 🌴⭕

📍📍শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হৃদয়ের স্পন্দন…প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে ক্লিক করুন নিচে         

☘️দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে 👍লাইক দিন                           

👉 জয়েন্ট করুন 🌿 শিক্ষা গ্রুপ✅

          🌿  🌴 🌿    🔴 🔴 🌿   🌴 🌿

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু বলেন, করোনার এই দিনে বাজেটে এমপিওভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও মন্ত্রণালয় চাইলে এমপিওভুক্তি দিতে পারে।তিনি জানান,স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের দাবি একটাই শিক্ষা জাতীয়করণ।

জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, বাজেট শিক্ষাবান্ধব হয়নি। শিক্ষকদের মানোন্নয়নের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণের জন্যও কোনো বরাদ্দ নেই।তিনি আরো বলেন,জাতীয়করণের জন্য আলাদা বাজেট না রাখলেও সরকারের সদিচ্ছা থাকলে জাতীয়করণ সম্ভব।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি বলেন, যেভাবে প্রত্যাশা করেছিলাম শিক্ষা বাজেট সেভাবে হয়নি। জাতীয়করণের জন্য সরকারকে অনুরোধ জানান তিনি।

বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের সভাপতি সাইদুল হাসান সেলিম বলেন,২৫%উৎসব বোনাস,৫০০টাকা চিকিৎসা ভাতা ও ১০০০টাকা বাসা ভাড়া নিয়ে বেসরকারি শিক্ষকরা মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছে।জাতীয়করণের জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণই সব সমস্যার সমাধান বলে মনে করেন বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল বাশার হাওলাদার।

প্রায় ১০ বছর পর চলতি অর্থবছরে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। শুরুতে দুই হাজার ৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয় দুই হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান। এখনও সাত হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে। এ ছাড়া অনার্স-মাস্টার্স কলেজের শিক্ষকরাও এমপিওভুক্তির জন্য দীর্ঘদিন আন্দোলন করছেন। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রত্যাশা ছিল আগামী অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ থাকবে। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ রাখার তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক সমিতির সভাপতি নেকবর হোসেন বলেন, ‘আমরা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে নন-এমপিও শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে আসছি। মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন সময় এমপিওভুক্তির আশ্বাস দিয়েছিল। তবে বাজেটে এর কোনো প্রতিফলন দেখছি না। এ কারণে আমরা হতাশ।’

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভূষণ রায় বলেন, বাজেটে শিক্ষা খাতে যে বরাদ্দ তাতে তিনি খুশি নন। এমপিওভুক্তির জন্য পৃথক কোনো বরাদ্দ রাখা না হলেও তিনি আশা করেন প্রস্তাবিত বরাদ্দ থেকেই নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।

বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাহমুদুর রহমান খোকন বলেন, প্রাথমিকে গতবারের চেয়ে বরাদ্দ বেড়েছে। আশা করি এই অর্থের সামান্য অংশ দিয়ে আমাদের জাতীয়করণ করা হবে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments