শিক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়ছে ইন্টারনেট খরচ কমানোর দাবি

374

শিক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়ছে ইন্টারনেট খরচ কমানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাকালীন এবং পরবর্তী সময়েও প্রযুক্তিতে নির্ভরতা বাড়বে শিক্ষায়। চলমান ধারার গতানুগতিক শিক্ষা ও পরীক্ষাপদ্ধতিতেও আসবে পরিবর্তন। অবশ্য করোনার এ সঙ্কটে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে অনেক ইতিবাচক ধারাও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষায় অনেকটা বিপ্লব ঘটে গেছে। প্রযুক্তির এ শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন করে অ্যাপভিত্তিক ধারাবাহিক মূল্যায়নব্যবস্থা আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চালু হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

                ⭕   🌴 ☘️  ☘️ ☘️ 🌴⭕

📍📍শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হৃদয়ের স্পন্দন…প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে ক্লিক করুন নিচে…  

 ☘️দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে 👍লাইক দিন 

👉 জয়েন্ট করুন 🌿 শিক্ষা গ্রুপ✅

               🌿  🌴 🌿    🔴 🔴 🌿   🌴

এ দিকে শিক্ষাকে প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রথম ধাপ হিসেবে ইন্টারনেট খরচ কমানোরও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেই ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের মোবাইলে ইন্টারনেট খরচ কমানোর প্রস্তাব পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও গত ১১ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার আগে মোবাইলফোনে সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) ছাড়াও ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১ শতাংশ সারচার্জ (একধরনের মাশুল) ছিল। ফলে ১০০ টাকার সেবা নেয়ার বিপরীতে গ্রাহককে বাড়তি সাড়ে ২৭ টাকা খরচ করতে হতো (শুল্ক-করের আপাতনসহ)। ১১ জুন বাজেট ঘোষণাকালে নতুন করে মোবাইলফোন গ্রাহকের ওপর ফের ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়।
বাজেট ঘোষণার পর বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনার পর অবশেষে মোবাইলফোনের ওপর বর্ধিত সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের আভাস মিলেছে। বর্ধিত ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার হলে মোবাইলফোনে কথা বলা, খুদেবার্তা পাঠানো কিংবা মোবাইলফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর গ্রাহককে এ পরিমাণ বাড়তি খরচ দিতে হবে না।
শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট খরচ কমানো প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ইন্টারনেট মানুষের হাতের নাগালে রাখতে হবে এ জন্য সরকারকে এ খাতে প্রণোদনা দিতে হবে। বিশেষ করে স্কুল- কলেজ এবং বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এখন প্রতিনিয়তই অনলাইনে পাঠকার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। তাই শিক্ষাসহায়ক হিসেবে বিবেচিত ইন্টারনেট খরচ নিয়ে আসতে হবে হাতের নাগালে। মনে রাখতে হবে শিক্ষার একটি প্রজন্ম হারিয়ে গেলে কয়েক প্রজন্ম হারিয়ে যাবে। তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
অন্য দিকে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম শুরু এবং শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিতে সেশনজট থেকে রক্ষা করতে ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন ক্লাস নেয়া হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেটের বিশেষ প্যাকেজ দেয়ার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দিয়েছি।
শিক্ষার্থীদের সহায়ক উপকরণ হিসেবে বিভিন্ন ডিভাইসের মূল্য কমানো ও ইন্টারনেট খরচ হ্রাস করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি শনিবার এক ভার্চুয়াল সেমিনারে জানিয়েছেন বাজেটে ইন্টারনেট খরচ কমানোর বিষয়ে শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসছে। শিক্ষাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনাবিষয়ে মন্ত্রী জানান, চলতি বছর তিনটা বিষয়কে নিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পাইলট প্রজেক্ট নেয়া হয়েছিল। যেখানে খুবই ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। সেই আলোকে আগামী বছর থেকে কয়েকটি বিষয়ের ওপর কিছু নম্বর নির্ধারণ করে অ্যাপ চালু করার চেষ্টা করছি। পর্যায়ক্রমে সবগুলো বিষয়ের কিছু কিছু অংশ ধারাবাহিক মূল্যায়নের মধ্যে চলে আসবে। তবে এ ধারাবাহিক মূল্যায়ন ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতিতে না নিয়ে অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিনের তথ্যগুলো সংরক্ষণ করা হবে, যা কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।নির্ভরতা বাড়বে শিক্ষায়। চলমান ধারার গতানুগতিক শিক্ষা ও পরীক্ষাপদ্ধতিতেও আসবে পরিবর্তন। অবশ্য করোনার এ সঙ্কটে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে অনেক ইতিবাচক ধারাও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষায় অনেকটা বিপ্লব ঘটে গেছে। প্রযুক্তির এ শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন করে অ্যাপভিত্তিক ধারাবাহিক মূল্যায়নব্যবস্থা আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চালু হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ দিকে শিক্ষাকে প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রথম ধাপ হিসেবে ইন্টারনেট খরচ কমানোরও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেই ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্র্থীসহ অভিভাবকদের মোবাইলে ইন্টারনেট খরচ কমানোর প্রস্তাব পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও গত ১১ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার আগে মোবাইলফোনে সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) ছাড়াও ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১ শতাংশ সারচার্জ (একধরনের মাশুল) ছিল। ফলে ১০০ টাকার সেবা নেয়ার বিপরীতে গ্রাহককে বাড়তি সাড়ে ২৭ টাকা খরচ করতে হতো (শুল্ক-করের আপাতনসহ)। ১১ জুন বাজেট ঘোষণাকালে নতুন করে মোবাইলফোন গ্রাহকের ওপর ফের ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়।
বাজেট ঘোষণার পর বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনার পর অবশেষে মোবাইলফোনের ওপর বর্ধিত সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের আভাস মিলেছে। বর্ধিত ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার হলে মোবাইলফোনে কথা বলা, খুদেবার্তা পাঠানো কিংবা মোবাইলফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর গ্রাহককে এ পরিমাণ বাড়তি খরচ দিতে হবে না।
শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট খরচ কমানো প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ইন্টারনেট মানুষের হাতের নাগালে রাখতে হবে এ জন্য সরকারকে এ খাতে প্রণোদনা দিতে হবে। বিশেষ করে স্কুল- কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এখন প্রতিনিয়তই অনলাইনে পাঠকার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। তাই শিক্ষাসহায়ক হিসেবে বিবেচিত ইন্টারনেট খরচ নিয়ে আসতে হবে হাতের নাগালে। মনে রাখতে হবে শিক্ষার একটি প্রজন্ম হারিয়ে গেলে কয়েক প্রজন্ম হারিয়ে যাবে। তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
অন্য দিকে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম শুরু এবং শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিতে সেশনজট থেকে রক্ষা করতে ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন ক্লাস নেয়া হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেটের বিশেষ প্যাকেজ দেয়ার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দিয়েছি।
শিক্ষার্থীদের সহায়ক উপকরণ হিসেবে বিভিন্ন ডিভাইসের মূল্য কমানো ও ইন্টারনেট খরচ হ্রাস করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি শনিবার এক ভার্চুয়াল সেমিনারে জানিয়েছেন বাজেটে ইন্টারনেট খরচ কমানোর বিষয়ে শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসছে। শিক্ষাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনাবিষয়ে মন্ত্রী জানান, চলতি বছর তিনটা বিষয়কে নিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পাইলট প্রজেক্ট নেয়া হয়েছিল। যেখানে খুবই ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। সেই আলোকে আগামী বছর থেকে কয়েকটি বিষয়ের ওপর কিছু নম্বর নির্ধারণ করে অ্যাপ চালু করার চেষ্টা করছি। পর্যায়ক্রমে সবগুলো বিষয়ের কিছু কিছু অংশ ধারাবাহিক মূল্যায়নের মধ্যে চলে আসবে। তবে এ ধারাবাহিক মূল্যায়ন ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতিতে না নিয়ে অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিনের তথ্যগুলো সংরক্ষণ করা হবে, যা কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments