সরকারি ন্যায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা সহ বদলি চাই

1808
  1. সরকারি ন্যায় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা সহ বদলি চাই। 
আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদেরও আছে স্বাধীনতার পূর্ণ সুযোগ সুবিধা ভোগ করার অধিকার। আজ স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও এখন পর্যন্ত আমরা পেলাম না স্বাধীনতার পূর্ণ সুযোগ সুবিধা। আজ আমরা চরম বৈষম্যের শিকার। সরকারি অংশ বাদে সকল ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য বিরাজমান।

                ⭕   🌴 ☘️  ☘️ ☘️ 🌴⭕

📍📍শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হৃদয়ের স্পন্দন…প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে ক্লিক করুন নিচে…  

 ☘️দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে 👍লাইক দিন 

👉 জয়েন্ট করুন 🌿 শিক্ষা গ্রুপ✅

               🌿  🌴 🌿    🔴 🔴 🌿   🌴

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বাংলাকে সোনার বাংলায় রুপান্তরিত করার। কিন্তু দুঃখের বিষয় একদল বিপদগামী সেনা সদস্য বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে পূরণ হতে দেয়নি। বহুদিন স্থবিরতা এসে গিয়ে ছিল বাঙালি জাতির ভাগ্যে। কিন্তু সেই স্থবিরতা কেটে গিয়ে ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যার দক্ষ নেতৃত্বে। তিনি বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেওয়ার জন্য দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে বর্তমানে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত করেছেন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি রুলমডেল হিসেবে পরিগনিত। বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে গেছে এবং উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় দ্বিতীয়। দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী। দেশের উন্নয়ন আজ আকাশচুম্বী। প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। বর্তমান সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে অকল্পনীয়।
বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  জাতীয়করণের স্বপ্ন ছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিপর্যস্ত  স্বাধীন বাংলাদেশে এক সাথে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে যে সাহসের পরিচয় দিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এনে ছিলেন তার অবদান  উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবে বাঙালি জাতির অন্তরে। তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আশা করি শিক্ষা ব্যবস্থার সকল সমস্যার সমাধান করে আমাদের সকল বৈষম্যের  হাত থেকে রক্ষা করবেন।
বর্তমান সময়ে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ সহ( ৪০-৫০) শতাংশ হারে  বাড়ি ভাড়া, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা এবং বদলি প্রথা  সকলের প্রাণের দাবি। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের যেহেতু ১০০ শতাংশ সরকারি অংশ দেওয়া হয়। তাহলে সরকারি ন্যায় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস  নয় কেন? যেহেতু  একই কারিকুলামে পরিচালিত হয় সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থা।সেহেতু  বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারি ন্যায় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা সহ বদলি প্রথা চালু করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
বদলি প্রথা নিয়ে কিছু কথা –
শিক্ষা ব্যবস্থায় বদলি প্রথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যেখানে বদলি প্রথা চালু করলে অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে বলে মনে হয় না। শুধু প্রয়োজন দায়িত্ব প্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের একটু সহানুভূতি।  বদলি প্রথা চালু হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় সকল স্থবিরতা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে । শিক্ষক অসন্তোষ চিরতরে নির্মুল হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় আসবে আমুল পরিবর্তন। শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় দক্ষ শিক্ষক তৈরি হবে। বর্তমান সময়ে বদলি প্রথা চালু না থাকার কারণে শিক্ষক অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে। দূর দূরান্তে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার ফলে শিক্ষকরা দূর্বিষহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে। দূর দূরান্তে বেশি দিন থাকার কারণে শিক্ষকের পাঠদানে মনোযোগ হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বেশি দিন পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকার কারণে দুশ্চিন্তা পড়তে হয় প্রতিটি শিক্ষককে যার কারণে কিছুটা হলেও শিক্ষা ব্যবস্থায় তার প্রভাব পড়বে।  আয়ের সাথে ব্যয়ের হিসেব মিলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। দূর দূরান্তে থাকার জন্য প্রয়োজন বাড়ি ভাড়া কিন্তু দুঃখের বিষয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যে সামান্য বাড়ি ভাড়া পায় তা দিয়ে কোথাও বাড়ি ভাড়া পাওয়া যায় না। বাড়ি ভাড়া নাম মাত্র ১০০০ টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা। বদলি প্রথা চালু করার জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিকট বিনীত অনুরোধ রইল সুবিবেচনা করার জন্য।    বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, সরকারি এবং  বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতার মধ্যে বিরাট বৈষম্য বিরাজমান। প্রতিটি পেশায়আছে পরিবর্তন এবং আধুনিকতার ছোঁয়া। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থায় আজও হলো না কোন পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধন। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা রয়ে গেল এনালগ যুগে। আধুনিকতার পূর্ণাঙ্গ ছোঁয়া এখনো লাগেনি।  বর্তমান সময়ে পরিবর্তন এসেছে প্রতিটি সেক্টরে।  দীর্ঘকাল ধরে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পরে আছে বৈষম্যের যাঁতাকলে। যাদের ওপর নির্ভর করে একটি দেশের মেরুদণ্ড তাঁরাই আজ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। শিক্ষিত জাতি গঠনের নিপুণ কারিগর আজ বৈষম্যের যাঁতাকলে চাপা পড়ে আছে।  একটি দেশের মেরুদণ্ড নির্ভর করে শিক্ষিত জাতির ওপর। আর এই শিক্ষিত জাতি গঠনের নিপুণ কারিগর বর্তমান সমাজে চরম হতাশার মধ্যে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।
 কথায় আছে, যে দেশ যত বেশি শিক্ষিত সে দেশ তত বেশি উন্নত। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা কবজ হলো শিক্ষক সমাজ।  স্বাধীনতার এত বছরেও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পেল না স্বস্তি । বর্তমান সময়ে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জীবন ধারণ করা অনেকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।  বৈষম্যের শিকলে বাঁধা পড়ে বেশিক জীবন আজ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নিরব কান্না ছাড়া আর কোন গতি নেই। সামাজিক অবস্থা ও নড়বড়ে। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক পরিচয় দিলে  কেউ মূল্যায়ন করে না।   যুগ পাল্টাচ্ছে, জীবন যাত্রার মানের পরিবর্তন হয়েছে।
উৎসব বোনাস – বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব বোনাস শুরু হয় ২০০৪ সাল থেকে। সেই ২০০৪ সাল অদ্য পর্যন্ত  ২৫ শতাংশ হারে উৎসব বোনাস দিয়ে আসছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। আজ ২০২০ সাল প্রায় অতিবাহিত হতে চলছে এখনো পর্যন্ত সেই ২৫ শতাংশ উৎসব বোনাস চিরস্থায়ী হয়ে বহমান রয়েছে। এই সামান্য উৎসব বোনাস দিয়ে উৎসবের আনন্দ প্রায় ম্লান হওয়ার পথে।  কারোর কাছে বলার উপায় নেই ২৫ শতাংশ হারে উৎসব বোনাস পাই। যেখানে প্রতিটি পেশায় মূল স্কেলের সমপরিমাণ টাকা  উৎসব বোনাস পায় সকলে।   যা বর্তমান সময়ের জন্য সত্যিই হতাশাজনক ।
বিশ্বের কোথাও শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া,  চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা   এত নগণ্য তা লক্ষণীয় নয়। বিশ্বের প্রতিটি দেশে শিক্ষকরা সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা ভোগ করে। রাষ্ট্রীয় কিংবা সামাজিক মর্যাদার কোন কমতি নেই।  শুধু বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষকরা বিভাজিত। সমান সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।  সভ্যতার পরিবর্তন হয়েছে। যুগের পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের জীবন যাত্রার মানের পরিবর্তন হয়েছে। সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।   প্রতিটি মানুষের মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ আরও মেগা প্রকল্পের কাজ সরকার হাতে নিয়েছেন। অনেক প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ প্রান্তে। ডিজিটাল যুগে  শুধু মাত্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অবহেলিত রয়ে গেল এটা বড়ই হতাশাজনক।
   অনেক শিক্ষকের আবার নুন আনতে পানতা ফুরায় অবস্থা।  পরিবারের ভরণপোষণ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের।   পরিবার বর্গের আশা পূরণ করা একজন শিক্ষকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোন উপায় না পেয়ে তাই ধারদেনা কিংবা বিকল্প আয়ের উৎস খোঁজতে হয় পরিবারের  স্বপ্ন পূরণে।   প্রতিটি মুহূর্তে হিমশিম খেতে হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের  জীবনযাপনে। আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্যের অবসানকল্পে। মনে হচ্ছে  ভাগ্যের চাকায় জং ধরে গেছে। কেউ নেই দেখভাল করার। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা আজও রয়ে গেল এনালগ যুগে আধুনিকতার ছোঁয়া পড়েনি।  বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের  বহু দিনের লালিত স্বপ্ন জাতীয়করণ সহ পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা  আজও অধরা রয়ে গেল।  দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় অতিবাহিত হচ্ছে তবুও বাড়ি ভাড়া কিংবা চিকিৎসা  ভাতা এবং উৎসব ভাতার কোন পরিবর্তন হলো না।
বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতা নিয়ে সমস্যা চিহ্নিত করা হলো ঃ
 বর্তমান সরকার ২০১৫ সালে পে-স্কেল ঘোষণার মাধ্যমে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাগ্যের কিছুটা হলেও পরিবর্তন করেছে সত্য কিন্তু  বাড়ি ভাড়া   পরিবর্তন  করে  ৫০০ টাকার বাড়ি ভাড়া করা হয়েছে  ১০০০ টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা করা হয়েছে ৫০০ টাকা।
 যে সামান্য বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতা দেওয়া হয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তা দিয়ে বাড়ি ভাড়া কিংবা চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব করা সহ কোন প্রয়োজনই মেটানো সম্ভব হচ্ছে না বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা দিয়ে  বাংলাদেশের কোথাও বর্তমানে বাড়ি ভাড়া কিংবা চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।  বাংলাদেশের  সর্বনিম্ন বাড়ি ভাড়া গ্রামাঞ্চলে যেখানে ৪০০০ টাকা থেকে ৮০০০ টাকা এবং শহরাঞ্চলের বাড়ি ভাড়া সর্বনিম্ন ১০০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা।বর্তমান সময়ে বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতার খরচ সংগ্রহ করতে প্রতি মাসে বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষকদের।
 চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা যেখানে ডাক্তার ফি সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা। বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতার প্রয়োজন মেটানোর পর যা অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে সংসারের ভরণপোষণ করা কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। জীবন যাপন স্বাভাবিক রাখার জন্য  তাই  বিকল্প পথের সন্ধান করতে হয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। বিকল্প কোন পথ না পেলে ধারদেনার আশ্রয় নিতে হয় প্রতি মাসে।  শিক্ষকদের এ পিছুটান শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে বাধ্য। তাই শিক্ষকদের আগে স্বাবলম্বী করা প্রয়োজন।
 মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট   বিনীত অনুরোধ আপনি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের  সার্বিক দিক বিবেচনা করে  বৈষম্যমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতিকে উপহার দিবেন বলে আশা করি  এই মুজিববর্ষেই।   বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক বৃন্দ আপনার এই অবদানের কথা চিরকাল স্মরণে রাখবে।
ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
কুকুটিয়া কে, কে, ইনস্টিটিউশন
সহকারী শিক্ষক (গণিত)
শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ
01916292483
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments