অবৈধ প্র.শি.রোকুনুজ্জামান এর সার্টিফিকেট জাল ও স.শি নাছিমার নিয়োগ বৈধ বলে স্বীকারোক্তি

2574

অবৈধ প্রধান শিক্ষক রোকুনুজ্জামান এর সার্টিফিকেট জাল ও স.শি নাছিমার নিয়োগ বৈধ বলে স্বীকারোক্তি

 

——————————————————————-

📌📌শিক্ষা সম্পর্কিত খবরাখবর জানতে এখানে ক্লিক করে শিক্ষা গ্রুপে ঢুকে JOIN GROUP এ  ক্লিক করুন।গ্রুপে আপনিও শেয়ার করুন…

——————————————————————-

👉👉দৈনন্দিন শিক্ষা সম্পর্কিত খবরাখবর পেতে এখানে ক্লিক করে দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে ঢুকে ” LIKE PAGE ” 👍 এ লাইক দিন

——————————————————————-

কুমিল্লা সংবাদদাতা : কুমিল্লা জেলায় বুড়িচং উপজেলা দক্ষিন শ্যামপুর আলি নেওয়াজ ভূঁইয়া কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অবৈধ ও জাল সার্টিফিকেট এবং জমির আহম্মদ(শরীরচর্চা), জসিম উদ্দিন(গনিত),হাছিনা আক্তার(সমাজবিজ্ঞান) শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ০৭-০৫-২০২০খ্রি.তদন্ত বোর্ডে হাজির না হয়ে ২য় তদন্ত ১৯-০৫-২০২০ খ্রি.বোর্ড হাজির হন, এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব আবদুল মান্নান বি,এড সার্টিফিকেট জাল অভিযোগের ভিত্তিতে বি,এড পাসকৃত প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ,কোটবাড়ি অধ্যক্ষ জনাবা খালেদা খানম কে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান ও তদন্তের জন্য তাৎক্ষনিক লিখিত অভিযোগ করেন,অধ্যক্ষ মহোদয় অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কে মুঠোফোনে বলেন বি,এড সার্টিফিকেটটি মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার,রোল-১০৯২৬৮, রেজি:নং-১৪১০১২, শিক্ষাবর্ষ-২০০৪-২০০৫ নামে আছে এবং সার্টিফিকেটটি জাল প্রমাণিত হওয়ায় লিখিত প্রত্যয়ন দেন।এদিকে তথ্য নিয়ে জানা গেছে জনাবা রোকসানা আক্তার বি-পাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ লতিফিয়া ইসমাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগার পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মেয়াদ শেষে ১৫ দিন পরে গ্রন্থাগার বিজ্ঞান ফলাফল প্রকাশ হয় সে কিভাবে আবেদন করে ও চাকুরী করছে? বলা হয় নিয়োগ অবৈধ ও সনদ টি জাল,অত্র বিদ্যালয়ের এসএসসি পাসকৃত খন্ডকালীন শিক্ষক মোঃ শাহিন নামে এক ব্যক্তিকে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগের জন্য ১০,০০০/- দশ হাজার টাকা করে ডিগ্রি পাস ও গ্রন্থাগার সার্টিফিকেট জাল বানিয়ে দেন।এই শাহিন প্রতিদিন প্রধান শিক্ষকের বাসায় সকাল ৮:০০ থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরীর আসায় বিভিন্ন খবরাখবর রাখে ও অবস্থান করছে।এদিকে ভূয়া প্রধান শিক্ষক মোঃ রোকুনুজ্জামান তদন্তের দিন স্ব-শরীরে হাজির হয়ে তখনকার সময় ২০০৫ সালের কমিটির বিদ্যুৎসাহী ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য জনাব সামসুল হক ভূঁইয়া, জনাব মুলফত আলি (বাচন),জনাব মোঃ আবু তাহের সদস্য,বৈধ প্রাক্তন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল বারী ভূঁইয়া,সাজ্জাদ হোসেন(শরীর চর্চা), নাছিমা আক্তার(সমাজবিজ্ঞান), মোঃ হাবিবুর রহমান(কৃষি), মোঃ মামুনুর রসিদ (গনিত) ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নয়া দিগন্ত পত্রিকার সাংবাদিক, দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও প্রিয় বাংলার সাংবাদিক মোঃ মারুফ,বুড়িচং উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব আবদুল মোমেন এবং আঞ্চলিক পত্রিকার সাংবাদিক মোকবল হোসেন সহ অন্যান্য বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকের সম্মুখে সাক্ষ্যপ্রমাণে তার বি,এড সার্টিফিকেট জাল,জনাবা নাছিমা আক্তার(প্রতিবন্ধী) শিক্ষকের নিয়োগ বৈধ ও হাছিনা আক্তার রুমির সকল কাগজপত্র তথা নিয়োগকৃত যোগ্যতার সনদ যার অনার্স ডিগ্রি চুড়ান্ত পরীক্ষার সাল-২০০৪, পরীক্ষার সময়কাল-নভেম্বর-ডিসেম্বর ২০০৫, ফলাফল প্রকাশ -১৩ আগষ্ট ২০০৬, কিন্ত নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ২১-১২-২০০৪, নিয়োগ তারিখ ৩১-১২-২০০৪, যোগদান ২৯-০১-২০০৫, যার সকল তথ্য নিয়োগের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং বাকি ০২ জন শিক্ষক শারীরিক শিক্ষা, গনিত বিষয়ের শিক্ষকের সকল সঠিক তথ্য গোপণ করে নিয়োগ অনৈতিক,অবৈধ ও ভিত্তিহীন বলে স্বীকারোক্তি দেন।উল্লেখ্য যে প্রধান শিক্ষক আরো সাক্ষ্যদেন অর্থের লোভে এই নিয়োগে সভাপতি মোঃ নজির আহাম্মদ ও তার ভাতিজা মোঃ আকসির আহাম্মদ (ব্যাংক কর্মকর্তা) বিধিবহির্ভূত নিয়োগ পাওয়া হাছিনা আক্তার রুমির ভাই জোড় করে অনৈতিক ও অবৈধ নিয়োগের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন তখন আমার হাত-পা বাধা ছিল এসব কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। উল্লেখ্য যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দৈনিক ইনকিলাব,দৈনিক শিরোনাম পত্রিকা কম্পিউটারে বানিয়ে উপরে নাম লিখে প্রিন্ট করি যা বিধিবহির্ভূত।এদিকে সহকারী শিক্ষক জনাবা নাছিমা আক্তার(প্রতিবন্ধী) সরেজমিন ঘুরে অভিযোগ করে বলেন অবৈধ প্রধান শিক্ষক বুড়িচং উপজেলার ডাকবাংলো সংলগ্ন তার ভাড়া বাসার মালিক ও আশেপাশের বিভিন্ন দোকানদার থেকে জানা যায় দিনের সকাল ৮:৩০ থেকে বিকাল ৪:৩০পর্যন্ত ৪/৫ দিন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক উপস্থিত হয়ে যুক্তি পরামর্শের ভিত্তিতে ৫০০০(পাচ )হাজার টাকার বিনিময়ে খাড়াতাইয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অবসর প্রাপ্ত অফিস সহকারী আবদুস সামাদ তার নিজের হাতের লেখা ড্রাপটিন করে পুরাতন বৈধ সকল রেজুলেশন গোপণ করে নতুন করে বিধিবহির্ভূত কাজ করেন। ভুক্তভোগী নাছিমা আরো বলেন অবৈধ প্রধান শিক্ষক আমাকে রাত ১২:৩০ মিঃ ফোন করে ৫ লক্ষ টাকার প্রস্তাব দেয়,এক পর্যায়ে তিনি রাতে তার ভাড়া বাসায় যেতে প্রলোভন দেন।এদিকে বর্তমান কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোঃ আবু মুসা ডাক্তার মুঠোফোনে ৫ লক্ষ টাকার একটি প্রস্তাব দেন ও বলেন প্রধান শিক্ষক রোকুনুজ্জামানের জাল সার্টিফিকেট থাকায় তার স্থলে সভাপতির ভাতিজি হাছিনা আক্তার রুমিকে আবার অবৈধ ভাবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পায়তারা করছে বলে স্বীকার করেন।আমি সকল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। জনাবা নাছিমা বলেন ২০১৮ সালের শিক্ষা নীতির ১৭ নং কলামে “১৭:৩ এ বলা আছে অসত্য তথ্য প্রদান,তথ্য গোপন করা,ভূয়া বা জাল কাগজপত্র দাখিল,প্রাপ্যতা না থাকা সত্তেও আবেদন পত্র প্রেরণ করার কারনে বেতন-ভাতাদি’র সরকারি অংশ ছাড়করণে অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/শিক্ষক-কর্মচারী/প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি-গভর্নিং বডি দায়ী থাকবেন ও তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে”।আবার “১৮ নং কলামে (ঙ) নম্বরে বলা আছে এমপিওভুক্তির জন্য জাল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ,নিবন্ধন সনদ প্রদান ও জাল নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ড প্রদান,মহিলা কোটা অনুসরণ ব্যতীত শিক্ষক নিয়োগ প্রদান এবং প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা স্থগিত/বাতিল করা হবে এবং পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে”। এরকম আইন থাকা সত্ত্বেও কেন বৈধ নিয়োগের বিপরীত এ অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে পুরাতন সকল বৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নাম এমপিওভুক্তিতে সংযুক্তিকরণ হবে না ? এমন প্রশ্নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সকল প্রশাসন কর্মকর্তা ও শিক্ষামন্ত্রী এবং মানবতার মা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনয়ীর সাথে আবেদন করেন।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments