নিয়োগ বঞ্চিত এনটিআরসিএ নিবন্ধিত শিক্ষকদের প্যানেল ভিত্তিক নিয়োগ দিন

887

তাং ১০/০৬/২০২০ইং
বরাবর,
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান,
NTRCA (বেসরকারি শিক্ষক রেজিষ্ট্রেশন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ)

বিষয়ঃ নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধিত শিক্ষকদের প্যানেল ভিত্তিক নিয়োগ প্রসঙ্গে

জনাব,
যথাবিহিত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ২০০৫সালের আইনের অধীনে বেসরকারি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ যোগ্য সনদ অর্জন করেছি।

🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿

📍📍প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে এখানে ক্লিক করে দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে ঢুকে ” LIKE PAGE ” 👍 এ লাইক দিন।

☘️🍀☘️🍀☘️🍀☘️🍀☘️🍀☘️🍀☘️🍀☘️🍀☘️🍀

📌📌আপনি কি চান শিক্ষা জাতীয়করণ হোক? শিক্ষায় বৈষম্য দূর হোক? শিক্ষকদের অধিকার আদায় হোক? তো দেরি কেন? এখুনি জয়েন্ট করতে ক্লিক করুন শিক্ষা গ্রুপে✅। আপনিও লিখুন, মতামত দিন, কমেন্ট করুন, লাইক দিন শেয়ার করুন।

🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴

আপনি জানেন যে, ২০০৫সালের আইনের ২ ধারা, ৮(খ) ধারা, ১০(ঘ) ধারা মোতাবেক আমরা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে নিয়োগ যোগ্য হিসেবে প্রত্যয়ন করেছে আপনার প্রতিষ্ঠান। তা সত্ত্বেও সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আজহার সাহেব ও এস এম আশফাক হুসেন সাহেব আমাদেরকে বেআইনিভাবে নিয়োগ বঞ্চিত করেছে। আজহার সাহেব সংবিধানের ২৭,২৮,২৯ ধারা উপেক্ষা করে উপজেলা কোটা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়ে আমাদেরকে চির বেকার রাখার ষড়যন্ত্র করেছিলেন এবং পিক এন্ড চুজ পদ্ধতিতে নিয়োগ দিয়ে মেধাকে গলা টিপে হত্যা করেছিলেন। আমরা বাধ্য হয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট শাখায় রিট করি ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে যারা নম্বর ১৫০১৭/২০১৬ সহ মোট ১৬৬টি রিট দাখিল হয় এবং উক্ত রিটগুলো দীর্ঘ শুনানির পর ৭টি পয়েন্টে রায় দেন মহামান্য হাইকোর্টের বিজ্ঞ বিচারপতি মহোদয়গণ। এই সাতটি নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে জেলা, উপজেলা কোটা বাতিল সহ সনদের মেয়াদ সনদধারীদের নিয়োগ পূর্ব পর্যন্ত বলবদ থাকবে। জাতীয় মেধাতালিকা অনুসারে শুন্যপদ থাকা সাপেক্ষে নিয়োগ দিতে হবে, সাতনম্বর পয়েন্টে প্রস্তাব দিয়েছেন যে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য এন্ট্রি প্রসেসে বয়স নির্ধারণ নাই, যেহেতু বয়স নির্ধারণ করা নাই সেহেতু সরকার চাইলে এন্ট্রি প্রসেসে বয়স নির্ধারন করতে পারে।
কিন্তু এস এম আশফাক হুসেন সাহেব এন্ট্রি প্রসেসে বয়স নির্ধারণ না করে বয়স নির্ধারণ করেছেন এন্ট্রি লেবেলে যা আমাদের প্রতি জুলুম করা হয়েছে। আপনি জানেন যে, বিসিএস সহ সকল পাবলিক পরিক্ষায় এন্ট্রি লেবেলে বয়স ৩০ বছর লিমিট করা আছে। কেউ যদি যোগ্য কর্মী নিয়োগের লক্ষে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ২৯ বছর ১১মাস ২৯দিন বয়সে আবেদন করেন এবং যোগ্যতা পরিক্ষা দিতে দিতে যদি নিয়োগ প্রার্থীর বয়স ৩৪ হয় এবং পরিক্ষায় উত্ত্বীর্ণ হয় তখন কি বয়সের কারণে উক্ত প্রার্থী নিয়োগ অযোগ্য হয়? নিশ্চয় না। তবে আমরা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ধারীগণও তো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে বিভিন্ন যোগ্যতা পরিক্ষা দিয়ে নিয়োগ যোগ্য বিবেচিত হয়ে সনদ অর্জন করেছি, তবে সনদ অর্জন করার পর কোন যুক্তিতে বয়সের অজুহাতে আমাদেরকে নিয়োগ বঞ্চিত করা হয়েছে?
আমরা নিযোগ পেলে কি এস এম আশফাক হুসেন সাহেবের মান সম্মান চলে যেত? নাকি উনার সাথে আমাদের শত্রুতাছিলো?
এস এম আশফাক হুসেন সাহেব ব্যক্তিগত স্বার্থে আমাদেরকে নিয়োগ বঞ্চিত করেছেন। উনি আমাদের সাথে ফেরাউন কিংবা দাজ্জালের মত আচরণ করেছেন। উনি মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের ডিরেকশন মানেননি। কারণ যখন বয়সের অজুহাতে ৩৫ উর্দ্ধো নিবন্ধন ধারীগণের আবেদন ১৯/১২/২০১৮ইং তারিখ (কোর্ট বন্ধ থাকা অবস্থায়) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে গ্রহন করেন নি তখন আমরা বাধ্য হয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট শাখায় রিট করি যার নং ১৫৭৬৭/২০১৮ ও ৫৫৮/২০১৯ এবং ১৩৯/২০১৯ সহ আরো ২টি রিট এবং মহামান্য হাইকোর্টের বিজ্ঞ বিচারপতি মহোদয়গণ আমাদের আবেদন গ্রহন করার নির্দেশ দেন গত ২/০১/২০১৯ইং তারিখে। উক্ত নির্দেশনা এস এম আশফাক হুসেন সাহেব ব্যক্তিগত স্বার্থে তরান্বিত হয়ে মানেননি, বরং ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ইং তারিখে চেম্বার কোর্টে গোপনে আপিল করে স্টে নেন। আমরাও সাথে সাথে চেম্বার কোর্টে স্টে ভ্যাকেটের আবেদন করি এবং ফেব্রয়ারী ৭ ও ফেব্রয়ারী ১৫ এবং মার্চের ১০ তারিখ তিনটি রিটদ্বারা স্টে ভ্যাকেট করার আদেশ পাই। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের মহামান্য প্রধানবিচারপতিসহ ৬ জন বিচারপতি মহোদয় হাইকোর্টের ডিরেকশনকে বহাল রাখেন এবং আবেদন গ্রহন করে নিয়োগ দেবার নির্দেশ দেন। কিন্তু তৎকালীন চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন ব্যক্তিস্বার্থে তরান্বিত হয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখান এবং আমাদের আবেদন গ্রহণ করেন নি।
এজন্য দাজ্জাল কিংবা ফেরাউন কিংবা শয়তানকে মানুষ যতটা ঘৃনা করে তারচেয়ে বেশি ঘৃনা করে এস এম আশফাক হুসেন সাহেবকে প্রতিটা নিবন্ধন ধারীগণ ও নিবন্ধিত শিক্ষকদের অভিভাবকগণ। কারণ উনি আমাদেরকে নিয়োগ বঞ্চিত করে আমাদের পরিবারপরিজনসহ সকলের জীবনকে দুর্বিসহ করে তোলেছেন, চোখের পানিতে বুক ভেসে যাচ্ছে বৃদ্ধ পিতামাতার উপর পরগাছা জীব হিসাবে জিন্দালাশ হিসাবে জীবন যাপন করছি আমরা ৩৫ উর্দ্ধো নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধিতরা। এমতাবস্থায় আপনার দিকে তীর্থের কাকের মত চেয়ে আছি প্রাপ্তির আশা নিয়ে। আপনি ৩৫ উর্দ্ধোদের নিয়োগ দিয়ে আমাদের ভাঙ্গা স্বপ্নকে পুনর্জীবন দিবেন সেই আশায় আছি। আপনার সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি আপনি সততার প্রতীক, ন্যায়ের ঝান্ডাধারী তাই আপনার মহানুভবতা আমাদের জীবনে কল্যাণ বয়ে আনবে বলে সকলের বিশ্বাস।
আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গত ২২ মে ২০১৯ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট শাখায় ১৩৯/২০১৯নং রিটটির একটি পূর্নাঙ্গ রায় দেন মহামান্য হাইকোর্টের বিজ্ঞ বিচারপতি মহোদয়গণ কিন্তু এস এম আশফাক হুসেন সাহেব উক্ত রায়কে চ্যালেন্জ করে চেম্বার কোর্টে আপিল করেন এবং উক্ত আপিলটি মহামান্য প্রধানবিচারপতি মহোদয়ের ফুল কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। কোর্ট চলমান হলে আপিলটি নিষ্পত্তি হবে ইনশাল্লাহ।
আমরা টাকার অভাবে ন্যায় বিচার পাচ্ছি না, তারপরেও আমাদের বেকারত্বের রক্ত মিশ্রিত টাকা খরচ করে যাচ্ছি ন্যায়ের আশায়। এ অবস্থায় আপনার প্রতি অনুরোধ, আমাদেরকে আর বঞ্চিত করবেন না প্লিজ। ৩৫ উর্দ্ধো নিয়োগ বঞ্চিতদেরকে অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করেছে এস এম আশফাক হুসেন সাহেব, তাই আপনি বঞ্চিত ৩৫+দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে আমাদের জীবনকে বাঁচান। কথা দিচ্ছি আমরা নিয়োগ পেলে আমাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ গড়তে পারবো ইনশাল্লাহ।।
সবিনয়ে অনুরোধে,
সকল নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধিত শিক্ষকদের পক্ষে,
এস এম আমজাদ হোসেন
সভাপতি
৩৫ উর্দ্ধো নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধিত শিক্ষক কেন্দ্রীয় ফোরাম
মোবাইলঃ ০১৭১৯৩১২৭৩৫
ইমেইলঃ smamzadhossain1@gmail.com

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments