বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন স্ব স্ব অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে প্রদানের দাবী

13399

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন স্ব স্ব অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে প্রদানের দাবী

দৈনিক শিক্ষা সংবাদ ডেস্ক : বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের বেতন স্ব স্ব ব্যাংকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে প্রদান, অনতি বিলম্বে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের ঈদুল আজহার উৎসবভাতা এবং জুন ও জুলাই মাসের বেতন এক সাথে প্রদানের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম (বাবেশিকফো) । তারা অভিযোগ করে বলেছেন, পাঁচ লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা প্রদান আমলাদের মর্জির ওপর নির্ভরশীল। দৈনিক শিক্ষা সংবাদে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ দাবী করেছেন।

                ⭕   🌴 ☘️  ☘️ ☘️ 🌴⭕

📍📍শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হৃদয়ের স্পন্দন…প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষা বিষয়ক সব ধরণের নির্ভরযোগ্য খবরাখবর সবার আগে পেতে ক্লিক করুন নিচে…  

 ☘️দৈনিক শিক্ষা সংবাদ পেইজে 👍লাইক দিন 

👉 জয়েন্ট করুন 🌿 শিক্ষা গ্রুপ✅

               🌿  🌴 🌿    🔴 🔴 🌿   🌴

ফোরাম সভাপতি সাইদুল হাসান সেলিম এবং মহাসচিব মো. আব্দুল খালেক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়- বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রাদূর্ভাবে বিপর্যস্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনজীবন। বিগত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৯৭ শতাংশ শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হয় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষক কর্মচারী এমপিওভুক্তির মাধ্যমে সরকার থেকে বেতন ভাতা পেয়ে থাকে। বেতন স্কেল শতভাগ দেয়া হলেও অন্যান্য ভাতাদি নামমাত্র। এতদসত্ত্বেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে বিভিন্নভাবে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই সামান্য বেতনে পরিবার পরিজন নির্বাহ করা খুবই কষ্টকর। ফলে শিক্ষকরা প্রাইভেট-টিউশনি সহ বিভিন্ন কাজের সঙ্গে জড়িত। দেশের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কারণে বিগত ১৭ মার্চ থেকে সব কিছুই বন্ধ। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিপাকে শিক্ষক কর্মচারীরা মানবেতর জীবন-যাপন করছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের একহাজার টাকা বাড়িভাড়া ২৫ শতাংশ উৎসবভাতা এটি খুবই লজ্জাজনক। তদুপরি আজ জুলাই-২০ মাসের ১১ তারিখ অতিক্রান্ত অথচ দেশের পাঁচ লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জুন-২০ মাসের বেতন-ভাতা ছাড়করণ করা হয়নি। অথচ দেশের সরকারি বা বানিজ্যিক এমন কোন কর্মচারির বেতন-ভাতা বকেয়া নেই। দেশের এমনি ক্রান্তিকালে বিপন্ন শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে এধরনের ছলচাতুরি বিবেক বিবর্জিত। ফোরামের পক্ষ হতে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যে দাবীগুলো করা হয়েছে, সেগুলো হলো-

১। অনতি বিলম্বে জুন ও জুলাই মাসের বেতন একসাথে প্রদান করতে হবে।

২। ঈদুল আজহার উৎসবভাতা শতভাগ প্রদান করতে হবে।

৩। প্রতিমাসের বেতন নির্দিষ্ট (৫ তারিখের) মধ্যে প্রদান করতে হবে।

৪। বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের বেতন স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে স্বয়ংক্রিয় ভাবে পাঠাতে হবে।

করোনা সংক্রমণ কালে দেশের বেসরকারি শিক্ষকরাই নিজ পকেটের অর্থ ব্যয় করে অনলাইনে ক্লাস নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত প্রিয় শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং লেখা পড়া চালিয়ে নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন। তাই নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা সহ জুন ও জুলাই মাসের বেতন-ভাতা ছাড়করণের বিনীত অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ সাইদুল হাসান সেলিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পাঁচ লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা প্রদান আমলাদের মর্জির ওপর নির্ভরশীল। এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকরা নামমাত্র ২৫% উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন, যা চাহিদার তূলনায় খুবই অপ্রতুল। অন্যদিকে সরকারি শিক্ষকরা ১০০% উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন, বিষয়টি খুবই বৈষম্যমূলক। মহাসচি আব্দুল খালেক বলেন, মানুষের যেকোনো উৎসব সার্বজনীন আর উৎসব যদি সর্বজনীন হয়, তবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা কেন ২৫ শতাংশ হবে?। তিনি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জুন ও জুলাই-২০ মাসের বেতন-ভাতা অনতিবিলম্বে শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের জোর দাবি জানান।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Facebook Comments